মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
লোহাগাড়ায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে রাস্তা নির্মাণ লোহাগাড়ায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলহাজ্ব মোস্তফিজুর রহমান কলেজ লোহাগাড়ায় নৌকার বিদ্রোহীদের নেতৃত্বে না আনার দাবি তৃণমূলের পুলিশ সদস্যের কব্জি বিচ্ছিন্নের ঘটনায় প্রধান আসামী কবিরসহ গ্রেপ্তার ২ লোহাগাড়ায় বসতঘর ও কবরস্থানের জায়গা দখল চেষ্টার অভিযোগ লোহাগাড়ায় ভূমি সেবা সপ্তাহের উদ্বোধন লোহাগাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতঘর ভাংচুর লোহাগাড়ায় রোহিঙ্গাদের ভোটার না করার বিষয়ে সতর্ক করলেন ইউএনও।। চট্টগ্রাম অবৈধভাবে মাটি কাটায় লোহাগাড়ায় ডাম্প ট্রাক ও এক্সকেভেটর জব্দ লোহাগাড়া থেকে একজন মানবিক ইউএনও’র বিদায়

স্বপ্নের হাতছানি দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমদুম রেললাইন: বসানো হচ্ছে রেলট্রেক; অগ্রগতি ৫১ শতাংশ

প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ২৭৫ নিউজ ভিউ

স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলছে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমদুম রেললাইন প্রকল্প। এ প্রকল্পের অন্যতম কাজ হচ্ছে রেলট্রেক বসানো। সেই রেলট্রেক বা রেললাইন বসানোর কাজ গত বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে কক্সবাজার সদরের রামু উপজেলার পানির ছড়া বাজার এলাকা থেকে। প্রাকৃতিকসহ কোনো সমস্যা দেখা না দিলে প্রতি মাসে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত রেললাইন বসানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. মফিজুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, উক্ত এলাকার পানির ছড়া বাজারের দলির ছড়া মৌজা থেকে কক্সবাজারের দিকে লাইনটির কাজ শুরু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার থেকে। এর আগে থেকেই চলছে প্রকল্পের আওতাধীন মাটি কাটা, ব্রিজ নির্মাণ, লেভেল ক্রসিং, কালভার্ট, স্টেশন তৈরিসহ প্রকল্পের সার্বিক কাজ। এই রেললাইনটি দ্রুত নির্মাণের মাধ্যমে যাতায়াত শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ সারা দেশের সঙ্গে অর্থনীতি, পর্যটকদের আনাগোনাসহ নানা বিষয়ে যোগাযোগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এই অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নও ঘটবে। একই কথা বললেন প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক (এপিডি) আবুল কালাম চৌধুরী। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার প্রকল্প চট্টগ্রাম হয়ে দোহাজারী-কক্সবাজার-ঘুমদুম রেললাইন নির্মাণের প্রায় ৫১ শতাংশের কাজ ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান হয়েছে। সরকারের এই অগ্রাধিকার প্রকল্পটি আগামী ২০২২ সালের শেষের দিকে শেষ হবে বলেও জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দোহাজারি-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৫ কোটি টাকা। ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার এবং রামু-ঘুমধুম পর্যন্ত মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত ৮৮ কিমি, রামু থেকে কক্সবাজার ১২ কিমি এবং রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জন্য নিরাপদ, আরামদায়ক, সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রবর্তন হবে। সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, কাগজের কাঁচামাল, বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা যাবে। সূত্র জানায়, ১২৮ কিমি রেলপথে স্টেশন থাকছে ৯টি। এগুলো হলো- সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজারা, ঈদগাও, রামু, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও ঘুমধুম। এতে থাকবে কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলক সিগন্যাল সিস্টেম এবং ডিজিটাল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম। সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর ওপর নির্মাণ করা হবে তিনটি বড় সেতু।

এ ছাড়াও এ রেলপথে নির্মিত হবে ৪৩টি ছোট সেতু, ২০১টি কালভার্ট এবং ১৪৪টি লেভেল ক্রসিং। সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া এলাকায় তৈরি হবে একটি ফ্লাইওভার, রামু ও কক্সবাজার এলাকায় দুটি হাইওয়ে ক্রসিং।

ref: bd-pratidin

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 Daily Chattagram
Developed By Shah Mohammad Robel