বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

ভরাডুবির ভয়ে এখন নির্বাচন বিমুখ বিএনপি: কাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬৭ নিউজ ভিউ

গত ১৩ বছরেও বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ার দেখা যায়নি। ভরাডুবির ভয়ে এখন নির্বাচন বিমুখ তারা। রাজপথ ও ভোটের ময়দান ছেড়ে গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সীমাবদ্ধ দলটি।

২ অক্টোবর নিজ বাসায় ব্রিফে এ সব কথা বলেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির কথিত জোয়ার এখন ভাটায় পরিণত হয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিদিনই নতুন নতুন তথ্য উপস্থাপন করেন আর মাঝে মধ্যে তার বাকচাতুর্য কল্পনাকেও হার মানায়।

বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ারে সরকারের হৃদকম্পন শুরু হয়েছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, এসব সৃজনশীল কথামালার চাতুরীতে ফখরুল ইসলাম আলমগীর আত্মতৃপ্তি বোধ করতে পারেন, কর্মীদের রোশনল থেকে নিজেদের সুরক্ষার জন্য কল্পনার ফানুস উড়াতে পারেন কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে তাদের বক্তব্য বিপরীত তা দেশের মানুষ ঠিকই জানেন।

আওয়ামী লীগের এ শীর্ষ নেতা বলেন, পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে ভরাডুবির আশঙ্কা বিএনপিকে আগেই পেয়ে বসেছে। তাই তাদেরই হৃদয়ে হৃদকম্পন শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ ভয়ে কাঁপে না। চ্যালেঞ্জ আর লক্ষ্য অর্জনের পথে বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে যাওয়াই বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি, আর সেই রাজনীতিই আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, এ দেশের রাজপথ জানে আওয়ামী লীগের আন্দোলন-সংগ্রামের বীরত্বগাথা আর সমৃদ্ধ ইতিহাস। জনগণ জানে বিএনপির হঠকারিতা, গণতন্ত্র হত্যা, ষড়যন্ত্র, লুটপাট আর সুবিধাবাদী রাজনীতির কথা। বিএনপির জনসমর্থনের জোয়ার তো গত ১৩ বছরে কোনো নির্বাচনে দেখা যায়নি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা ভরাডুবির ভয়ে এখন নির্বাচন বিমুখ, তাই রাজপথ আর ভোটের ময়দান ছেড়ে গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতিকে সীমাবদ্ধ করে রেখেছে।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার আর আওয়ামী লীগকে হুমকি-ধমকি দিয়ে লাভ নেই। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের যে অপচেষ্টা করছেন তা আমাদের অজানা নেই। বিএনপির সবকিছুতেই শর্ত এবং মামার বাড়ির আবদার।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার গঠন করলে নাকি তারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, আসলে বিএনপি ভালো করেই জানে তত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি একটি মীমাংসিত বিষয়। তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল কে করেছে? উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে তত্বাবধায়ক সরকার বাতিল হয়েছে। এ পদ্ধতি ছিল একটি অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা, দীর্ঘ মেয়াদে তত্বাবধায়ক সরকার চলতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র যখন এগিয়ে যায় তখন সরকার ও নির্বাচন ব্যবস্থার উপর আস্থা ফিরতে শুরু করে। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, এ প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই।

বিএনপিসহ সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি আওয়ামী লীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের আবারও হুঁশিয়ার করে বলেন, নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কোনো মদদ ও প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে হবে।

দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021 Daily Chattagram
Developed By Shah Mohammad Robel